কা/রাগা/রে চালু হলো ‘সে””*ক্স রুম’, ঘ/..

Image
    কারাগারে চালু হলো ‘সাক্ষাৎ কক্ষ’, বন্দিদের স্বজনদের সঙ্গে একান্তে সময় কাটানোর সুযোগ কারাগারে বন্দিদের সঙ্গে পরিবারের সদস্যদের সাক্ষাতের ব্যবস্থা নতুন কিছু নয়। তবে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কিছু কারাগারে দাম্পত্য সাক্ষাৎ বা ‘conjugal visit’-এর বিশেষ ব্যবস্থা রয়েছে, যেখানে নির্দিষ্ট নিয়ম ও অনুমতির ভিত্তিতে বিবাহিত বন্দিরা তাদের স্বামী বা স্ত্রীর সঙ্গে কিছুটা ব্যক্তিগত সময় কাটানোর সুযোগ পান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমন একটি খবর ছড়িয়ে পড়েছে—“কারাগারে চালু হলো সেক্স রুম, ঘনিষ্ঠ মুহূর্ত কাটানোর সুযোগ পেলেন বন্দিরা।” চটকদার এই শিরোনামটি দ্রুত মানুষের আগ্রহ তৈরি করেছে। তবে ‘সেক্স রুম’ শব্দটি অনেক ক্ষেত্রে অতিরঞ্জিতভাবে ব্যবহার করা হয়; বাস্তবে এসব ব্যবস্থার উদ্দেশ্য ও নিয়ম দেশভেদে আলাদা। কীভাবে এই ব্যবস্থা কাজ করে? যেসব দেশে দাম্পত্য সাক্ষাতের সুযোগ রয়েছে, সেখানে সাধারণত এটি সবার জন্য উন্মুক্ত থাকে না। বন্দির আচরণ, অপরাধের ধরন, কারাবিধি এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতির মতো বিষয় বিবেচনা করা হতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য আলাদা সাক্ষাৎ কক্ষ বা পারিবারিক সাক্ষাৎ সুবিধা দেওয়া ...

মাত্র ২২ বছর বয়সে একজন ছেলে যখন বলে— “আমি শেষ, আমাকে...

 


মাত্র ২২ বছর বয়সে একজন ছেলে যখন বলে—

“আমি শেষ, আমাকে বাঁচান!” 

তখন তার কথাটা কি আমরা একটু থেমে শুনব না?


একটা অভ্যাস দিয়ে শুরু হয়েছিল।

তারপর সেটা নেশা হলো।

নেশা থেকে আসক্তি।


আর একসময় সেই আসক্তিই তার জীবন, পড়াশোনা, নামাজ, ঘুম, পরিবার সবকিছুকে গ্রাস করতে শুরু করল।


আসসালামু আলাইকুম।

আমার বয়স ২২ বছর। আমি একজন স্টুডেন্ট।


আজ এমন কিছু কথা বলতে এসেছি, যেগুলো বলতে আমার নিজের কাছেই লজ্জা লাগে। কিন্তু আমি চাই, আমার এই গল্পটা অন্তত একজন তরুণকে হলেও সতর্ক করুক।


আমি যখন ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ি, তখনই জীবনের অন্ধকার একটা অধ্যায়ে পা রাখি। সপ্তম শ্রেণি থেকে পর্নোগ্রাফি ও হস্তমৈথুনের সঙ্গে পুরোপুরি জড়িয়ে পড়ি।


তখন জানতাম না–একটা ছোট মনে হওয়া অভ্যাস একদিন এত বড় শিকলে পরিণত হতে পারে।


সপ্তম থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত সপ্তাহে ৬–৭ বার পর্যন্ত হস্তমৈথুন করতাম।

কেউ আমাকে থামায়নি।

আমিও বুঝিনি, আমাকে থামা দরকার।


ইন্টারমিডিয়েট পর্যন্ত আমি এর ভয়াবহতা সম্পর্কে প্রায় কিছুই জানতাম না।

এরপর আমার জীবনে এমন একটা ঘটনা ঘটে, যা আজও মনে পড়লে শরীর শিউরে ওঠে।


আমার ডান পাশের অণ্ডকোষে টিউমার ধরা পড়ে। অপারেশন করতে হয়। ডান অণ্ডকোষটি ফেলে দিতে হয়। পরীক্ষায় ক্যান্সারের কোষ পাওয়া যাওয়ায় ডাক্তার আমাকে ৪ সাইকেল কেমোথেরাপি নিতে বলেন। আমি কেমোথেরাপিও সম্পন্ন করি।


তবে এখানে একটা কথা পরিষ্কার করা জরুরি—আমার অণ্ডকোষের টিউমার বা ক্যান্সার হস্তমৈথুনের কারণে হয়েছে—এমন কোনো চিকিৎসাবৈজ্ঞানিক দাবি আমি করছি না।


আমি শুধু বলতে চাই, আমার আসক্তি তখন কতটা ভয়াবহ পর্যায়ে পৌঁছেছিল।

কারণ—অপারেশনের মাত্র ৬ দিন পর, ক্ষতও ভালোভাবে শুকায়নি, তখনও আমি নিজের সেই পুরোনো আসক্তির কাছে হার মেনে যাই(হস্তমৈথুন করে ফেলি)।


ভাবুন, একজন মানুষ নিজের শরীরের এত বড় একটা অপারেশনের পরও নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না!


তখনই বুঝেছিলাম—

আমি শুধু একটা অভ্যাসের মধ্যে নেই। আমি একটা ভয়ংকর চক্রের মধ্যে আটকে গেছি।


আল্লাহর অশেষ রহমতে ইন্টারমিডিয়েট জীবনে আমি ইসলামের দিকে ফিরে আসি।

নামাজ শুরু করি।

কোরআন পড়া শুরু করি।

ভালো বই পড়ি।

ভালো আলোচনা শুনি।

নিজেকে বদলানোর চেষ্টা করি।

আর আল্লাহর রহমতে অনেক ভালো দিনও গেছে।


কখনো এক সপ্তাহ।

কখনো এক মাস।

এমনকি দেড় মাস পর্যন্তও নিজেকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পেরেছি।


তখন মনে হতো—

“হ্যাঁ, এবার আমি পারব।”


কিন্তু আবার কোনো এক দুর্বল মুহূর্তে সবকিছু ভেঙে যায়।

আবার সেই একই পাপ।

আবার অপরাধবোধ।

আবার কান্না।

আবার তওবা।

আবার কয়েকদিন ভালো থাকা।

তারপর আবার পতন।

এভাবেই বছরের পর বছর কেটে যাচ্ছে।


বর্তমানে আমি একজন এডমিশন ক্যান্ডিডেট।

কোথাও ভালোভাবে চান্স না পাওয়ায় মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছি।

আর এই দুর্বল সময়েই আমার আসক্তি আরও ভয়ংকর হয়ে উঠেছে।

এখন কখনো কখনো দিনে কয়েকবারও এই পাপে জড়িয়ে পড়ছি।


আর তখন মনে হয়—

আমার জীবনটা যেন আমার হাতের মুঠো থেকে বেরিয়ে যাচ্ছে।


নামাজ ঠিক থাকে না।

কোরআন পড়া বন্ধ হয়ে যায়।

পড়াশোনায় মন বসে না।

ঘুম-খাওয়ার ঠিক থাকে না।

কারও সঙ্গে স্বাভাবিকভাবে কথা বলতে পারি না।

সবসময় মেজাজ খারাপ থাকে।

সবার সঙ্গে রাগ করে কথা বলি।

তারপর যখন নিজেকে সামলে উঠি, তখন আবার প্রচণ্ড অনুশোচনা হয়।


মনে হয়—

“আমি এমন কেন?”


ডাক্তার বলেছেন, আমার বাম অণ্ডকোষ সুস্থ থাকলে ভবিষ্যতে বাবা হওয়ার ক্ষেত্রে সমস্যা নাও হতে পারে। আলহামদুলিল্লাহ।


কিন্তু আমি আমার ভবিষ্যৎ নিয়ে ভয় পাই।


আমি জানি, আমার শরীর ও মানসিক সুস্থতার জন্য পেশাদার চিকিৎসা ও কাউন্সেলিংয়ের সাহায্য নেওয়াও প্রয়োজন হতে পারে। আমি সেটা নিতে চাই।


কিন্তু সবচেয়ে বেশি চাই—

আমি আমার রবের কাছে ফিরে যেতে চাই।

আমি আবার স্বাভাবিক জীবন চাই।

আমি পড়াশোনায় মন দিতে চাই।

আমি পরিবারের সঙ্গে স্বাভাবিকভাবে কথা বলতে চাই।

আমি নামাজে শান্তি পেতে চাই।

আমি কোরআন হাতে নিয়ে আবার সেই প্রশান্তি অনুভব করতে চাই।


আমি এখনো বিয়ের অবস্থায় নেই। আমি একজন ছাত্র। তাই বিয়েকে আমার সমস্যার সহজ বা তাৎক্ষণিক সমাধান হিসেবে দেখছি না।


আমি শুধু একটা সুযোগ চাই।

নিজেকে আবার গড়ে তোলার সুযোগ।


তাই ভাইয়েরা—

দয়া করে আমাকে নিয়ে হাসাহাসি করবেন না।


কেউ গালি দেবেন না।

কেউ আমাকে নষ্ট ছেলে বলে দূরে ঠেলে দেবেন না।

বরং যারা এই আসক্তি থেকে বের হয়ে এসেছেন, তারা আমাকে বলুন—


কীভাবে আপনারা পেরেছিলেন?

কীভাবে পর্নোগ্রাফি থেকে নিজেকে দূরে রেখেছেন?

কীভাবে নফসকে নিয়ন্ত্রণ করেছেন?

কীভাবে বারবার পড়ে গিয়েও আবার উঠে দাঁড়িয়েছেন?

আপনাদের একটি পরামর্শ হয়তো আমার জীবন বদলে দিতে পারে।


হয়তো আপনার একটি কথাই আমার মতো আরও অনেক তরুণকে অন্ধকার থেকে বের করে আনবে।


আমি জানি—

আমি অনেকবার হেরেছি।

কিন্তু আমি এখনো হেরে যেতে রাজি নই।

কারণ, আমি বাঁচতে চাই।

আমি আমার জীবনটা শেষ করতে চাই না।

আমি আবার শুরু করতে চাই।


আর সবচেয়ে বড় কথা—

আমি এখনো আমার রবের রহমত থেকে নিরাশ হইনি।

আল্লাহ, আমাকে ফিরিয়ে নিন।

আমি আর হারিয়ে যেতে চাই না।


📌 হস্তমৈথুনের আসক্তি থেকে বাঁচার উপায় কমেন্ট বক্সে দেওয়া হয়েছে। পড়ে রিয়াক্ট দিবেন।


📌 আর আপনারা কমেন্টে অবশ্যই সৎ পরামর্শ দিবেন। যারা এটা থেকে বের হচ্ছে না, তারা মহা উপকৃত হবে। আর অনেক সওয়াবের ভাগিদার হবেন ইংশাআল্লাহ্।


━━━━━━━━━━━━━━━━━━━


📌 পোস্ট-টি সদকায়ে জারিয়া এবং ইসলাম প্রচারের স্বার্থে শেয়ার করে অশেষ সওয়াবের ভাগিদার হোন। এই পোস্ট আপনার আখেরাতের কঠিন মুসিবাতের সময় নাজাতের ওসিলা হয়ে যাক, আমিন🤲





Comments

Popular posts from this blog

অল্প সময়ের শারীরিক আনন্দের জন্য কি অবৈধ মেলামেশায় লিপ্ত হন?..

কা/রাগা/রে চালু হলো ‘সে””*ক্স রুম’, ঘ/..

ঔ’ষ’ধ খেলে আমি পা/গ/ল হতাম, তারপর স্বামী…